হোস্টিং সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা

🌐 হোস্টিং সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা

১. Web Hosting (ওয়েব হোস্টিং)

  • আপনার ওয়েবসাইটের ফাইল, ডাটাবেস, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি রাখা হয় সার্ভারে।

  • যখন কেউ আপনার ডোমেইন টাইপ করে, তখন হোস্টিং সার্ভার থেকে সেই ফাইল ব্রাউজারে পাঠানো হয়।

২. Shared Hosting (শেয়ার্ড হোস্টিং)

  • এক সার্ভারে অনেক ওয়েবসাইট রাখা হয়।

  • সুবিধা: সস্তা, ছোট ওয়েবসাইট বা ব্লগের জন্য উপযুক্ত।

  • অসুবিধা: সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার হওয়ায় সাইট ধীর হতে পারে।

৩. VPS Hosting (Virtual Private Server)

  • সার্ভারকে ভার্চুয়ালি ভাগ করা হয়, প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা রিসোর্স থাকে।

  • সুবিধা: বেশি কাস্টমাইজেশন, ডেডিকেটেড রিসোর্স।

  • অসুবিধা: শেয়ার্ডের তুলনায় দাম বেশি।

৪. Dedicated Server (ডেডিকেটেড সার্ভার)

  • পুরো সার্ভার শুধু এক ব্যবহারকারীর জন্য।

  • সুবিধা: দ্রুত, সব রিসোর্স আপনার, বড় প্রজেক্ট বা অ্যাপের জন্য উপযুক্ত।

  • অসুবিধা: দাম অনেক বেশি, ম্যানেজমেন্ট জটিল।

৫. Cloud Hosting (ক্লাউড হোস্টিং)

  • ওয়েবসাইট ফাইল একাধিক সার্ভারে থাকে (ক্লাউড)।

  • সুবিধা: স্কেলেবল (যতটা রিসোর্স প্রয়োজন তত ব্যবহার), ডাউনটাইম কম।

  • অসুবিধা: দাম শেয়ার্ডের তুলনায় বেশি।

৬. Domain Name (ডোমেইন নাম)

  • ওয়েবসাইটের ঠিকানা (যেমন: example.com)।

  • হোস্টিং ছাড়া ডোমেইন কিনলে ওয়েবসাইট চলবে না।

৭. cPanel

  • ওয়েব হোস্টিং ম্যানেজ করার জন্য জনপ্রিয় কন্ট্রোল প্যানেল।

  • ব্যবহার করে ডোমেইন অ্যাড, ফাইল আপলোড, ইমেইল সেটআপ করা যায়।

৮. Bandwidth (ব্যান্ডউইথ)

  • আপনার ওয়েবসাইটে কত ডেটা পাঠানো/গ্রহণ করা হবে তার পরিমাপ।

  • বেশি ট্রাফিক হলে বেশি ব্যান্ডউইথ প্রয়োজন।

৯. Storage / Disk Space (স্টোরেজ / ডিস্ক স্পেস)

  • সার্ভারে ওয়েবসাইটের ফাইল, ছবি, ভিডিও কত জায়গা নেবে।

১০. Uptime (আপটাইম)

  • সার্ভার কত সময় অনলাইনে থাকে।

  • সাধারণত ৯৯.৯% আপটাইম ভালো ধরা হয়।

১১. SSL Certificate (এসএসএল সার্টিফিকেট)

  • ওয়েবসাইটের নিরাপত্তার জন্য HTTPS সক্রিয় করে।

  • নিরাপদ লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড পেমেন্টের জন্য অপরিহার্য।

১২. Nameserver

  • সার্ভারের DNS সেটিংস যেখানে আপনার ডোমেইন পয়েন্ট করা হয়।

  • উদাহরণ: ns1.host.com, ns2.host.com

১৩. Backup (ব্যাকআপ)

  • সার্ভারের ফাইল ও ডাটার কপি রাখা।

  • ডেটা হারানোর ক্ষেত্রে রিকভারির জন্য জরুরি।

১৪. Email Hosting (ইমেইল হোস্টিং)

  • আপনার ডোমেইনের সাথে যুক্ত ইমেইল ঠিকানা তৈরি করা।

  • উদাহরণ: info@yourdomain.com

১৫. Reseller Hosting (রিসেলার হোস্টিং)

  • হোস্টিং কিনে অন্যকে বিক্রি করার জন্য।

  • আপনিই ছোট প্ল্যান বানিয়ে গ্রাহককে সাপোর্ট দেবেন।

সংক্ষেপে:

  • Shared → সস্তা, ছোট সাইট

  • VPS → মাঝারি রিসোর্স, কাস্টমাইজেবল

  • Dedicated → পুরো সার্ভার, বড় প্রজেক্ট

  • Cloud → স্কেলেবল, ডাউনটাই

Comments

Popular posts from this blog

WHM (Web Host Manager) কী?

ওয়েবসাইটের স্পিড বা লোড টাইম